UGB B.A. Semester-5 Bengali Major | নাট্যতত্ত্ব ও নাটক Suggestion 2026 | Gour Banga University

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়

B.A. Semester:- 5

Subject:- বাংলা (Major)

Paper Code:- BNGMJ-MC-09/BNG-DC-MJ-502

Syllabus Name:- নাট্যতত্ত্ব ও নাটক

প্রশ্নমান- 10


মডিউল:-১, নাট্যতত্ত্ব

ট্রাজেডি কাকে বলে? ট্রাজেডির উৎস ও লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বাংলা সাহিত্যের একটি সার্থক ট্রাজেডি নাটক আলোচনা করো। ***

উত্তর: ট্রাজেডি (Tragedy) হলো এমন এক প্রকার নাট্যরীতি যেখানে নায়ক বা প্রধান চরিত্র কোনো গুরুতর দোষ (tragic flaw), ভাগ্যবিপর্যয় বা পরিস্থিতির চাপে পতিত হয়ে দুঃখজনক পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। এই পরিণতি সাধারণত মৃত্যু, সর্বনাশ বা চরম বেদনায় শেষ হয়। ট্রাজেডির মূল উদ্দেশ্য দর্শকের মনে করুণা ও ভয় জাগিয়ে এক ধরনের মানসিক পরিশুদ্ধি বা ক্যাথারসিস সৃষ্টি করা।

এরিস্টটল তাঁর Poetics গ্রন্থে ট্রাজেডিকে সংজ্ঞায়িত করেছেন—

“Tragedy is an imitation of an action that is serious, complete, and of a certain magnitude… through pity and fear effecting the proper purgation of these emotions.”

ট্রাজেডির উৎস

১. গ্রিক সাহিত্যে উৎপত্তি

ট্রাজেডির উৎপত্তি প্রাচীন গ্রীসে। খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে দেবতা ডায়োনিসাস-এর উপাসনা উপলক্ষে গান ও নৃত্যের মাধ্যমে এর সূচনা হয়। পরে এটি নাট্যরূপ লাভ করে।

২. প্রধান গ্রিক ট্র্যাজেডিয়ান

এস্কাইলাস (Aeschylus)

সোফোক্লিস (Sophocles)

ইউরিপিদিস (Euripides)

তাঁদের নাটকে ভাগ্য, দেবতার ইচ্ছা ও মানবিক সীমাবদ্ধতা প্রধান বিষয় ছিল।

৩. পাশ্চাত্য ও ইংরেজি সাহিত্যে বিকাশ

পরে শেক্সপিয়রের হাতে ট্রাজেডি নতুন মাত্রা পায়—

যেমন: Hamlet, Macbeth, Othello, King Lear।

৪. বাংলা সাহিত্যে ট্রাজেডি

বাংলা সাহিত্যে ট্রাজেডির সূচনা আধুনিক যুগে।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত – কৃষ্ণকুমারী

গিরিশচন্দ্র ঘোষ

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় প্রমুখ নাট্যকার ট্রাজেডি রচনায় কৃতিত্ব দেখান।

ট্রাজেডির লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য

১. গম্ভীর ও গুরুগম্ভীর বিষয়বস্তু – রাজনীতি, নৈতিক দ্বন্দ্ব, ভাগ্যবিপর্যয় ইত্যাদি।

২. উচ্চবংশীয় বা মহৎ চরিত্রের নায়ক – সাধারণত রাজা বা অভিজাত ব্যক্তি।

৩. Tragic Flaw (হামার্টিয়া) – নায়কের কোনো চরিত্রগত দুর্বলতা।

৪. ভাগ্যের নির্মমতা – ভাগ্য বা পরিস্থিতি নায়কের পতন ঘটায়।

৫. করুণা ও ভয়ের উদ্রেক – দর্শকের মনে সহানুভূতি জাগায়।

৬. দুঃখজনক পরিণতি – মৃত্যু বা সর্বনাশে সমাপ্তি।

৭. ক্যাথারসিস – দর্শকের মানসিক পরিশুদ্ধি ঘটে।

বাংলা সাহিত্যের একটি সার্থক ট্রাজেডি নাটক:

মাইকেল মধুসূদন দত্তের “কৃষ্ণকুমারী”

কাহিনির সংক্ষিপ্ত পরিচয়

“কৃষ্ণকুমারী” নাটকের কাহিনি রাজপুত ইতিহাসনির্ভর। উদয়পুরের রাজকন্যা কৃষ্ণকুমারীকে ঘিরে দুই রাজপুত রাজ্যের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের রূপ নেয়। রাজ্যের শান্তি ও পিতার সম্মান রক্ষার জন্য কৃষ্ণকুমারী আত্মবলিদান করেন।

ট্রাজেডি হিসেবে সার্থকতা

১. নায়িকার আত্মবলিদান

কৃষ্ণকুমারীর মৃত্যু নাটককে ট্রাজেডির পরিণতি দেয়।

২. গম্ভীর ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

রাজনীতি, সম্মানবোধ ও রাজধর্ম—গভীর বিষয়বস্তু রয়েছে।

৩. করুণ রসের প্রাধান্য

নাটক জুড়ে করুণ আবহ বিদ্যমান। দর্শকের মনে গভীর বেদনা সৃষ্টি হয়।

৪. মহৎ চরিত্রচিত্রণ

কৃষ্ণকুমারী আদর্শ, সাহসী ও আত্মত্যাগী। তাঁর পতন করুণ হলেও মহিমান্বিত।

৫. ক্যাথারসিসের সৃষ্টি

নাটকের শেষে দর্শকের মনে করুণা ও ভয়ের মাধ্যমে মানসিক পরিশুদ্ধি ঘটে।

নাটকের তাৎপর্য

এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক।

পাশ্চাত্য ট্রাজেডির আদর্শ অনুসরণ করেও ভারতীয় ঐতিহ্যকে ধারণ করেছে।

ভাষা ও সংলাপ উচ্চমার্গীয় ও কাব্যিক।

উপসংহার

ট্রাজেডি এমন এক নাট্যরীতি যা মানবজীবনের গভীর বেদনা, ভাগ্যের নির্মমতা ও চরিত্রগত দুর্বলতাকে তুলে ধরে। এর মাধ্যমে দর্শকের মনে করুণা ও ভয়ের উদ্রেক ঘটে এবং মানসিক পরিশুদ্ধি লাভ হয়। বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্তের “কৃষ্ণকুমারী” একটি সার্থক ট্রাজেডি নাটক হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এটি ট্রাজেডির সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অমর সৃষ্টি হয়ে আছে।


ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তারপরের প্রশ্ন রয়েছে ট্রাজেডির সংজ্ঞা নির্দেশ করে গ্রিক ট্রাজেডি ও শেক্সপিয়রিও ট্রাজেডির বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে আলোচনা করো।** 

উত্তর: 


কমেডির সংজ্ঞা ও লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে যেকোন একটি বাংলা কমেডি সম্পর্কে আলোচনা করো। **


কমেডির সংজ্ঞা নির্দেশ করে ক্লাসিক্যাল ও রোমান্টিক কমেডির পার্থক্য লেখো। **


অবসারড নাটকের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে একটি বাংলা অবসার নাটক সম্পর্কে আলোচনা করো। ***


প্রসেসেনিয়াম থিয়েটারের উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ এবং নাট্যচর্চা সম্পর্কে লেখ। ***


থার্ড থিয়েটার বা তৃতীয় রঙ্গমঞ্চের উৎপত্তি ক্রমবিকাশ এবং নাট্যচর্চা সম্পর্কে লেখো। ***


নাটকে মঞ্চ আলো ধ্বনি, আবহ সংগীত এবং রূপসজার ভূমিকা সংক্ষিপ্তাকারে আলোচনা করো। 


শম্ভু মিত্রের মতে নাট্যকলা বলতে কি বোঝায় এবং নাটকের সঙ্গে এর সম্পর্ক কি? নাটকের কোন কোন উপাদানকে তিনি নাট্যকলা হিসেবে গুরুত্ব দেন? 


কাকে বলে নাট্যকলা গ্রন্থটি শম্ভুমিত্রের নাট্যদর্শন ও বহুরূপীর নাট্য আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ? তার নাট্যচিন্তার সামাজিক ও শৈল্পিক দিকগুলি আলোচনা করো। 


শম্ভু মিত্র কাকে বলে? নাট্যকলা গ্রন্থে নাটকের যে গঠনগত সম্পূর্ণতার কথা বলেছে তা ব্যাখ্যা করো। কিভাবে নাটক ও অভিনয় মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ নাট্যকলা সৃষ্টি করেন। 


নাটককে সম্মিলিত শিল্প বা যৌথ শিল্প বলা হয় কেন? আলোচনা করো। 


ট্রাজেডি এবং কমেডির মধ্যে পার্থক্য লেখো।


মডিউল:-২, নাটক

মধুসূদন দত্ত- কৃষ্ণকুমারী

মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটকের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।


মাইকেল মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটকের কৃষ্ণকুমারী চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করো। ***


মাইকেল মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটকের ভীমসিংহ চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা করো। 


মদনিকা চরিত্রটি কৃষ্ণকুমারী নাটকের উপর কি প্রভাব ফেলেছে আলোচনা করো। 

অথবা কৃষ্ণকুমারী নাটকের মদনিকা চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।  


কৃষ্ণকুমারী নাটকের বিলাসবতী চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।  


কৃষ্ণকুমারী নাটকে জগৎসিংহের চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা করো। 


কৃষ্ণকুমারী নাটকে প্রাচ্য ও প্রাশ্চাত্য নাট্যরীতির সমন্বয় ঘটেছে কিভাবে আলোচনা করো। 


কৃষ্ণকুমারী নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম ট্রাজেডি বলা হয় কেন? *** 


কৃষ্ণকুমারী নাটকের ঐতিহাসিক মূল্য বা উপাদান এবং সাহিত্যিক তাৎপর্য আলোচনা করো। 


মডিউল:-৩, নাটক

বিজন ভট্টাচার্য- নবান্ন

নবান্ন নাটকের নামকরণে বাংলার একটি কৃষি উৎসবের উল্লেখ আছে? তা বিষয়বস্তুর সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ লেখো? **

অথবা এই প্রশ্নটি অন্য যেভাবে ঘুরেও আসতে পারে যে নাট্য বিষয় মন্যন্তর কিন্তু নাম নবান্ন এই নামকরণ কতদূর সার্থক অথবা নবান্ন নাটকের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো


নবান্ন একই সঙ্গে দুর্গতি ও প্রতিরোধের নাটক আলোচনা করো 

অথবা প্রতিবাদের নাটক হিসেবে নবান্ন নাটকটি আলোচনা করো 

অথবা নবান্ন প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের নাটক বিশ্লেষণ করো ***  


নবান্ন নাটকে সংগীতের ব্যবহার কত গানেই নাট্য উপযুক্ত হয়েছে আলোচনা করো 

অথবা নবান্ন নাটকে গানের ভূমিকা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়টি বুঝিয়ে দাও ***  


নবান্ন নাটকের সংলাপ কতখানি সার্থক হয়েছে আলোচনা করো 


নবান্ন নাটকের প্রধান সমাজদার চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা করো 


নবান্ন নাটকের নায়ক কে যুক্তিসহ আলোচনা করো।


গণনাট্য আন্দোলনের মাইলস্টোন বলা যেতে পারে নবান্ন নাটকটিকে ব্যাখ্যা করো 

অথবা নবান্ন নাটকের অভিনবত্ব কোথায়? 


বিজন ভট্টাচার্য বিরচিত নবান্ন নাটকের শেষ দৃশ্যের তাৎপর্য লেখো।  


আর কত চেচাবো বাবু দুটো ভাতের জন্য। তো তোমরা কিসব বধির হয়ে গেছো? বাবু কি কিছু কানে শোনো না? অন্তর কি সব তোমাদের পাশান হয়ে গেছে বাবু কোন নাটকের কোন অংকের দৃশ্য? কোন দৃশ্যে কে কোথায় এটি বলেছিল বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। 

 

বিজন ভট্টাচার্যের নবান্ন নাটকের রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক অবস্থানটি বিবৃত করো। 

অথবা নবান্ন নাটক রচনার পটভূমিকা যে সময়ের সেই সময়ের বঙ্গদেশের সমাজীবনের বাস্তব অবস্থা নির্ণয় করো। *** 


আমিনপুরের কলঙ্ক। আমিনপুরের কলঙ্ক তোরা সব তাই পেছু হচ্ছিস। পেছসনি এগিয়ে যা। এগিয়ে যা তোরা সব এগিয়ে যা কে কোথায় কখন এ কথা বলেছে নাটকের মূল সুরের সঙ্গে এটি সঙ্গত কিনা আলোচনা করো।


বিজন ভট্টাচার্য রচিত নবান্ন নাটকের হারুদত্ত চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা করো।


নবান্ন নাটকের রাধিকা চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করো ।


নবান্ন নাটকের পঞ্চাননী চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা করো গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে ।


মডিউল:-৪, নাটক পাঠ ও নাট্য সমালোচনা

বিধায়ক ভট্টাচার্য- সরীসৃপ

বিধায়ক ভট্টাচার্যের সরিস্রিপ নাটকের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো। 


সরিস্রিপ নাটকে মধ্যবিত্ত সমাজের ভন্ডামী ও নৈতিক অবক্ষয় কিভাবে ফুটে উঠেছে বিশ্লেষণ করো। 

অথবা সরিশ্রিপ নাটকের সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন বিশ্লেষণ করো। 

অথবা সরিশ্রীপ নাটকটি সমকালীন সমাজের এক নির্মম ব্যঙ্গ। এই মন্তব্যের যথার্থতা বিচার করো। 


সরিস্রিপ নাটকে ক্ষমতা লোভ ও আত্মস্বার্থের সংঘাত আলোচনা করো। তারপরের প্রশ্ন বিধায়ক ভট্টাচার্যের সরিশ্রিপ নাটকের ভাষা ও সংলাপের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। 


বিধায়ক ভট্টাচার্যের সরিশ্রিপ নাটকে প্রতীক ও রূপকের ব্যবহার আলোচনা করো। 


মোহিত চট্টোপাধ্যায়- রাক্ষস 

মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের রাক্ষস নাটকের প্রশ্ন। প্রথম প্রশ্ন রয়েছে 


মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের রাক্ষস নাটকে মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় আলোচনা করো। 


মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের রাক্ষস নাটকের মূল বক্তব্য বা নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো। 


মোহিত চট্টোপাধ্যায় রচিত রাক্ষস নাটকে ব্যক্তি মানুষ বনাম সমাজ। এই দ্বন্দ আলোচনা করো। 


মনোজ মিত্র- অশ্বত্থামা

মনোজমিত্রের অশ্বত্থামা নাটকের মূল বক্তব্য বা বিষয় সংক্ষেপ সম্পর্কে লেখো। 


মনোজমিত্রের অশ্বত্থামা নাটকে অশ্বথামার চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা করো। 


মনোজমিত্রের অশ্বত্থামা নাটকের নাট্যশৈলীর বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। 


অশ্বত্যামা নাটকে পৌরাণিক কাহিনীর পুনর্ব্যাখ্যায় পুনর্ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তা ও সার্থকতা বিচার করো। 


মনোজমিত্রের অস্বথামা নাটকটি কিভাবে চিরাচরিত পৌরাণিক আখ্যানকে ভেঙ্গে নতুন তাৎপর্য প্রদান করেছেন।


মনোজমিত্রের অস্বথামা নাটকে অশ্বত চরিত্রটি আসলে কোন প্রতীকী অর্থ গ্রহণ করেন? মানুষের ভেতরের পাশবিক প্রবৃত্তি ও নৈতিক অবক্ষয় কিভাবে এখানে প্রতিফলিত হয়েছে?


নাট্য সমালোচনা

নাট্য সমালোচনা কি? একটি আদর্শ নাট্য সমালোচনার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। 


নাটক দেখার অভিজ্ঞতা থেকে নাট্য সমালোচনা লেখার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো। 


তোমার দেখা যেকোন একটি নাটকের কাহিনী, চরিত্র, সংলাপ, অভিনয় ও সামগ্রিক প্রভাব বিচার করে একটি সমালোচনা লেখ। ***